রান্নায় কোন তেল ব্যবহার করবেন

রান্নার তেল নিয়ে নানা ধরনের কথা প্রচলিত আছে। কমবেশি প্রতিটা খাবার তৈরিতে চাই তেল। কোনোটায় কম, আবার কোনোটায় বেশি। কিন্তু কোন তেল স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো তা নিয়ে নানা জনের নানা মতভেদ আছে।

কোলেস্টেরল বাড়লেও বেশিরভাগ বাঙালির ডায়েটে সরিষার তেলই থাকে। পরিমাণ বুঝে ব্যবহার করলে সরিষার তেল খাওয়ায় কোনো ক্ষতি নেই। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সরিষার তেল যথেষ্ট নয়। বরং, এ ক্ষেত্রে ডায়েটে রাখতে পারেন এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল। শুধু হার্টের কথা ভেবে তেল বেছে নিলে চলবে না। অনেক সময়ে সামগ্রিক স্বাস্থ্য বিশেষত ব্রেন হেলথের কথা ভেবেও তেল বেছে নেওয়া উচিত। মস্তিষ্কের জন্য ভীষণ উপকারী এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি ভাবনাচিন্তা করার ক্ষমতাও তৈরি করে। অর্থাৎ, এই তেল মস্তিষ্ককে তথ্য বা স্মৃতি মনে রাখার এবং প্রয়োজন মতো ব্যবহার করার বুদ্ধি দেয়। অলিভ অয়েলের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন রয়েছে, যা মস্তিষ্কের জন্য জরুরি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল। এই উপাদান প্রদাহ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

অন্ত্রের জন্যও উপকারী এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন, তাদের অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় থাকে। আর যাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য নিয়েও কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না। তাই ডায়েটে এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল রাখতে পারেন। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যর পাশাপাশি হার্টের জন্যও উপকারী। এই তেল রক্তে টোটাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে নিয়ন্ত্রণ করে। কমায় ট্রাইগ্লিসারাইড ও এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা। পাশাপাশি অলিভ অয়েলে তৈরি খাবার খেলে ক্যালোরি বৃদ্ধিরও আশঙ্কা কম।