চট্টগ্রাম থেকে মালয়েশিয়ায় দুই কিশোরকে পাচারের অভিযোগে সাত পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নগর পুলিশ বলেছে, ওই দুই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দুই কিশোরকে গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অপহরণের পর দুই কিশোরকে কক্সবাজারের টেকনাফ দিয়ে সমুদ্রপথে প্রথমে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়, পরে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়; সেখানে আটকে রেখে তাদের পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং নির্যাতন চালানো হয়। কৌশলে সমুদ্রপথেই পুলিশ মালয়েশিয়া থেকে তাদের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘নগরের চান্দগাঁওয়ের মৌলভীর পুকুরপাড় এলাকার ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোর গত ১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হয়। প্রতিবেশী দুই কিশোর একটি গ্যারেজে কাজ করত। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ দাবি করলে ২৬ ফেব্রুয়ারি চান্দগাঁও থানায় মানবপাচার আইনে মামলা করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ প্রথমে আবদুল কাদের ও পরে ইয়াসিন আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুরের দক্ষিণ মতলব থানা থেকে মো. মিলন এবং কক্সবাজারের উখিয়া থেকে মো. মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোস্তফা পাচারকারীচক্রের মূল সদস্য। তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।’