কক্সবাজারের পেকুয়ার গোঁয়াখালী খালের ওপর নির্মিত এলজিইডি সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্ট গর্তের কারণে মরণফাঁদে পরিনত হলেও চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ৫ সহস্রাধিক মানুষ। প্রায় ২৫ বছর আগে নির্মিত সেতুর রেলিং পটাতন ভেঙে ঝরাজীর্ন হয়ে পড়েছে। পটাতনের মাঝখানে ভাঙতে ভাঙতে গর্তে পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন ছোট বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যানবাহন ও চলাচলকারীরা।
তবে স্থানীয়দের দাবি, গত এক বছর ধরে বড় ধরনের কোনো যান চলাচল করছে না অর্থাৎ বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো.নুরুল আজিম জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে উক্ত সেতুর বিষয়ে লিখতভাবে জানানো হলেও সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে এলাকার ৪ থেকে পাঁচটি মহল্লার ৫ হাজার লোকজন চলাচলে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন।
চলত মার্কেটের ব্যবসায়ী মো.ইউনুছ জানান, এই সেতু ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বেশি সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে ।
ব্যবসায়ী রাহেদুল হায়দার চৌধুরী জানান, সেতুর পাশে তার মৎস্য প্রজেক্ট ও খামার রয়েছে। ওখানে যাতায়াতে ওই ব্রিজের গর্তটি চোখে পড়লে স্থানীয় কিছু লোকজনের পরামর্শ করে সেতুটিরমেরামতের উদ্যোগে নিলেও অপর স্থানীয়রা টেকসই ও স্থায়ী সেতুর দাবিতে তারা নিজ উদ্যোগে মেরামতে বিষয়ে বাধার সৃষ্টি করে। তিনি এলাকার জনসাধরণের দুর্ভোগ নিরসনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
স্থানীয় সংবাদকর্মী এফ এম সুমন বলেন, এই সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ গর্তের কারণে গাড়ি নিয়ে যাতায়ত করা যায় না। রাতের আধারে পথচারীরা নিয়মিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
এবিষয়ে পেকুয়া উাপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, বিষয়টি স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে জেনেছি। সরকারি অর্থায়ন সাপেক্ষে টেকসই সেতু নির্মাণ করা হবে।