মুন্সিগঞ্জ গজারিয়ায় ঐতিহ্যবাহী মৃত প্রায় কাজলা নদী খননের জন্য পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। এ সময় তিনি জানান, মৃত এই নদীতে খুব দ্রুত প্রাণ সঞ্চার ঘটবে। করা হবে খনন।
রবিবার (২২ মার্চ) বিকাল ৪টার সময় উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়ন মনাইরকান্দী থেকে ফরাজীকান্দী পর্যন্ত এই নদীটি তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, এক সময়ের খরস্রোতা এই নদীটি সময়ের বিবর্তনে ও স্থানীয় ম্যানেস ফি পেপার মিলস, আনোয়ার সিমেন্ট শীর্ট লি. নিউ হোপসহ একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ নদীর পানিতে পরতে পরতে ভরাট হতে হতে এখন প্রায় মৃত। অথচ এই নদীর উপর নির্ভরশীল ছিল শত শত জেলে, শত মন ওজনের মালামাল নিয়ে চলতো পাল তোলা নৌকা, এই নদীকে ঘিরে গড়ে উঠা ৮/১০টি গ্রামের দৈনন্দিন কার্যক্রম পড়ে মুখ থুবড়ে।
বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় মহিউদ্দিন মৃধা নামে এক ব্যক্তি বলেন, জীবন জীবিকার প্রয়োজনে এই নদীটি খনন হওয়া এখন সময়ের দাবি, হাজার হাজার মানুষ এই নদীটির উপর নির্ভরশীল।
এ সময় সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, শিল্প কারখানা আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে আমরা চাই না তা বন্ধ হয়ে যাক। কিন্তু তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যে সব নীতিমালা রয়েছে তা যেন তারা রক্ষা করে, আমরা খুব দ্রুত নদী খননের কাজ শুরু করবো আবারও এই নদীতে প্রাণের সঞ্চার ঘটবে।
পরিদর্শন কালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মুন্না, জাসাস এর জেলা সভাপতি হাসান জাহাঙ্গীর, বাউশিয়া ইউনিয়ন এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবাদুল্লাহ হক, বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান মিয়াজী, নুরুল আমিন সরকার কেএম জালাল রীমু, নাজির শিকদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান মিজানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী।