ইরানকে রুখতে সমুদ্রপথে মার্কিনীদের নতুন মরণাস্ত্র!

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে টহল জোরদারে চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। সক্রিয় সংঘাতে এ ধরনের নৌযান প্রথমবার ব্যবহার করবে ওয়াশিংটন।

এই ড্রোন নৌযানগুলো নজরদারি বা আত্মঘাতী হামলায় ব্যবহৃত হয়। রয়টার্স জানায়, মার্কিন নৌবাহিনীর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এমন চালকবিহীন নৌযানের বহর গড়ে তুলতে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের নৌযান গুরুত্ব পেয়েছে, বিশেষ করে ইউক্রেন বিস্ফোরকভর্তি স্পিডবোট ব্যবহার করে রাশিয়ার ব্ল্যাক সি নৌবহরে বড় ধরনের ক্ষতি করার পর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরুর পর গত এক মাসে ইরানও অন্তত দুইবার উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে সমুদ্র ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এসব ড্রোন নৌযান আক্রমণাত্মকভাবে ব্যবহার করছে, এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে সেন্ট্রাল কমান্ডের পেন্টাগন মুখপাত্র টিম হকিন্স জানান, মেরিল্যান্ডভিত্তিক ব্ল্যাকসি কোম্পানির তৈরি ‘গ্লোবাল অটোনোমাস রিকনাইসেন্স ক্রাফট’ (গার্ক) নামের ড্রোন নৌযানগুলো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-এর অংশ হিসেবে টহলে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তার ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী নিয়মিতভাবে চালকবিহীন বিভিন্ন সিস্টেম ব্যবহার করছে, যার মধ্যে গার্কের মতো পৃষ্ঠতলের ড্রোনও রয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মটি ৪৫০ ঘণ্টার বেশি সময় সমুদ্রে টহলরত এবং দুই হাজার ২০০ নটিক্যাল মাইলের বেশি পথ অতিক্রমে সক্ষম।