নারায়ণগঞ্জে নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকারি ব্যবসা কেন্দ্র নিতাইগঞ্জে একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে মাসুম (৩৮) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ডালপট্টি পুরাতন বি কে রোডের ওই ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্ত্রীর দাবি আরিফুল মাদকাসক্ত ছিলেন। এর আগেও তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তবে নিহতের মায়ের দাবি তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত মো. আরিফুল ইসলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বরকাঠি এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পার্শ্ববর্তী জামাল শপিং বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আরিফুল চাকরির সুবাদে গত সাত বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে স্ত্রী নিপা খানম, মেয়ে সুমাইয়া ও ছেলে আদিব হাওলাদারকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি কর্মস্থলে যান। এর মধ্যে বাড়িতে এসে আবার কাজে ফিরে যান। পরদিন দুপুরে তার স্ত্রী ছাদে কাপড় শুকাতে গেলে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠায়।

নিপা খানম জানান, গত চার মাস ধরে পারিবারিক কলহের জেরে তাদের মনোমালিন্য চলছিল। নিহতের মা রুমা বেগমের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে নিপা খানম তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি মরদেহ টিভি কেবলের তারে ঝুলছিল। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।