আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার: বিদেশি তারকাদের আরও কঠিন শাস্তির দাবি গাভাস্কারের

নিলামে দল পাওয়ার পরও হুটহাট আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে চান সুনীল গাভাস্কার। সম্প্রতি দিল্লি ক্যাপিটালসের ইংলিশ ব্যাটার বেন ডাকেট ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এবারের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই ঘটনার পরই গর্জে উঠেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। গাভাস্কারের মতে, বর্তমানের দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা বিদেশি ক্রিকেটারদের থামাতে পারছে না, তাই বিসিসিআইকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

৩১ বছর বয়সী বেন ডাকেটকে ২ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল দিল্লি। কিন্তু অ্যাশেজ ২০২৫-২৬-এ বাজে পারফরম্যান্স এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠার পর তিনি কাউন্টি ক্রিকেট ও টেস্ট ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিতে আইপিএল ছাড়ার ঘোষণা দেন। গাভাস্কারের মতে, "দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা স্পষ্টতই কাজে দিচ্ছে না। আমাদের এমন কিছু ভাবতে হবে যা খেলোয়াড়দের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।"

শাস্তি ঠিক কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ফর্মুলা না দিলেও গাভাস্কার স্লো ওভার রেটের উদাহরণ টেনেছেন। তিনি বলেন, "ম্যাচ চলাকালীন স্লো ওভার রেটের কারণে অতিরিক্ত ফিল্ডার ৩০ গজ বৃত্তের ভেতরে রাখার নিয়মটি বেশ কার্যকর। কারণ এটি সরাসরি খেলায় প্রভাব ফেলে। বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও এমন কোনো ব্যবস্থা নিতে হবে যা তাদের জন্য বড় ধাক্কা হবে।"

শুধু ডাকেট নন, আইপিএলের শুরুতে অজি পেস ত্রয়ী—প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজলউডের অনুপস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেছিলেন গাভাস্কার। যদিও কামিন্স ও হ্যাজলউড ইতোমধ্যে নিজ নিজ দলে যোগ দিয়েছেন, তবে ইনজুরির কারণে স্টার্কের যোগ দিতে দেরি হচ্ছে। গাভাস্কারের মতে, ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের দোহাই দিয়ে আইপিএলকে অবহেলা করাটা দলগুলোর জন্য বড় ক্ষতি।

বিসিসিআই গভর্নিং কাউন্সিলকে এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে বসার আহ্বান জানিয়েছেন এই কিংবদন্তি। তার মতে, আইপিএলের গরিমা ধরে রাখতে হলে খেলোয়াড়দের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা জরুরি।