অপ্রতিদ্বন্দ্বী হাঙর   

প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে টিকে থাকা হাঙর প্রাচীন, বৈচিত্র্যময় ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রাণী। ডাইনোসরের আগে থেকে রাজত্ব করছে এরা। সাদা হাঙর শীতল রক্তের হলেও, এদের শরীরে উষ্ণ রক্তের বিবর্তনীয় কৌশল রয়েছে। রহস্যময় হচ্ছে, পানির অনেক দূর থেকে রক্তের গন্ধ পেয়ে শিকার ধরতে পারে তারা। হাঙ্গরের কোনো হাড় নেই, পুরো শরীর তরুণাস্থি দিয়ে তৈরি। গ্রিনল্যান্ড হাঙর প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে, যা মেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে দীর্ঘতম । সব হাঙর কিন্তু মানুষখেকো নয়, এদের অনেক প্রজাতি বেশ শান্ত প্রকৃতির। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৭০ প্রজাতির হাঙর রয়েছে সমুদ্রে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের হাঙরটির নাম ‘হোয়েল শার্ক’, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ ফুট। আর সবচেয়ে ছোট আকৃতির হলো ‘স্পাইন্ড পিগমি শার্ক’, যেগুলো লম্বায় মাত্র ৬ ইঞ্চি। বেশ কয়েক প্রজাতির হাঙর আছে, যারা কিনা খুবই ভয়ংকর! এদের থেকে সাবধান থাকা ভালো। কেননা এরা সুযোগ পেলেই মানুষের ওপর আক্রমণ করে বসে। আত্মরক্ষা অথবা খিদে মেটানোর জন্য এরা মানুষের ওপর আক্রমণ চালায়।  হিংস্র প্রজাতির হাঙরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে ‘দ্য গ্রেট হোয়াইট শার্ক’। এই হাঙরগুলো বেশ বড় আর এদের গায়ের রঙ সাদা। লম্বায় গ্রেট হোয়াইট শার্ক প্রায় ২০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। একেকটা হাঙ্গরের ওজন ২ হাজার ৫০০ কেজি পর্যন্ত হয়। গ্রেট হোয়াইট শার্ক পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহদাকৃতির হিংস্র প্রাণী। অর্থাৎ তাদের চেয়েও বড় প্রাণী যেমন হাতি কিংবা নীল তিমি হলেও, তারা হিংস্র নয়।