১৩ দিন বিরতির পর জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরুতেই জুলাই সনদ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাতীয় সংসদ। সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার আনা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দল পাল্টা বক্তব্য দেয়। পরে আগামীকাল মঙ্গলবার এ প্রস্তাব নিয়ে ২ ঘণ্টা আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়।
জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের (আদেশ নম্বর ১) অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের ও অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে আলোচনার দাবি জানান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ নিয়ে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক হয়।
গতকাল রবিবার বিকেল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হলে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা। এ সময় তিনি বলেন, ‘স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি যথাযথভাবে নোটিসটি উত্থাপন করলাম। সেটি হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর আলোকে আমি সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বানের বিষয়ে নোটিসটি উত্থাপন করেছি। সেখানে বিস্তারিত আছে। আপনি আলোচনার জন্য এটি মঞ্জুর করবেন বলে বিশ্বাস করি।’ তার এই বক্তব্যের পরপরই সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সরকারি দলের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথা অনুযায়ী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন এবং ৭১ বিধি শেষ হওয়ার পরই যেকোনো বিষয় উত্থাপন করা হয়। বিরোধীদলীয় নেতাকে অনুরোধ করব, বিধি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে।’
এরপর আবার মাইক নেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সেদিন (১৫ মার্চ) জনাব স্পিকার বলেছিলেন, এ ধরনের আলোচনার বিষয় থাকলে প্রশ্নোত্তরের পরেই হবে। সে মোতাবেকই দাঁড়িয়েছি। আমি মনে করি, এটা আমার অধিকার ও দায়িত্ব। মনে করি, আপনি এইভাবেই গ্রহণ করবেন।’
এরপর চিফ হুইপের কাছে এক মিনিট সময় চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বক্তব্য দিতে চাইলে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা আপত্তি জানান।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা স্পিকারের এখতিয়ার। তিনি সময় না দিলে আমি বসে পড়তে পারি।’ তখন ডেপুটি স্পিকার তার উদ্দেশে বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, আপনি দয়া করে আপনার কথা শেষ করুন।’
জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনি অনুমতি না দিলে... দিস ইজ মাই পয়েন্ট অব অর্ডার। আপনি পয়েন্ট অব অর্ডারের অনুমতি না দিলে বসে পড়তে পারি। আপনি দাঁড় করিয়ে রাখতে পারেন, এটা আপনার ক্ষমতা।’ পরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, আপনার বক্তব্য শেষ করুন। যদিও সংসদে সময় দেওয়ার এখতিয়ার চিফ হুইপের নেই, এটি একমাত্র স্পিকারের এখতিয়ার।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সবাইকে সম্মান জানাতে চাই। বিরোধীদলীয় নেতা আলোচনার জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। যেটা বিগত দিনে স্পিকার তাকে অনুরোধ করেছিলেন– আপনি বিধি মোতাবেক উত্থাপন করেন, বিধি মোতাবেক আপনাকে সময় দেওয়া হবে। আমাদের চিফ হুইপ যেটা বলেছেন, আমাদের রীতি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব ও ৭১ বিধির পরেই এ-জাতীয় মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেই কথাটাই বিরোধীদলীয় নেতাকে আপনি বলেছেন। আমার মনে হয় না কারও অধিকার ক্ষুণœ হয়েছে। ৭১ বিধিতে সুযোগ দেবেন কি দেবেন না, সেটা আপনার এখতিয়ার। তবে এটা সংসদ সদস্যদের অধিকার। তারপরে বিরোধীদলীয় নেতা যদি নোটিসের বিষয়টা উত্থাপন করেন, তার বিরুদ্ধে আমাদেরও দুই-চার কথা থাকতে পারে।’
পরে মাইক নেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সংসদ কীভাবে গঠিত হচ্ছে, তা আমরা ভুলে যাচ্ছি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট হয়েছিল। এখন সংসদের কার্যক্রম দেখলে মনে হচ্ছে, এ ধরনের কিছুই হয়নি। এটি সবচেয়ে বেশি জনগুরুত্বপূর্ণ, এ সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত, এর সুরাহা হওয়া উচিত। তারপরও নিয়মিত সব কার্যক্রম হওয়া উচিত। বিধি মোতাবেক বিরোধীদলীয় নেতা নোটিস দিয়েছেন। গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার অনুরোধ করেন তিনি।’
পরে চিফ হুইপ বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত বিষয় নিশ্চয়ই আলোচনায় আসবে, আজকেই আলোচনা হতে পারে অথবা স্পিকার যেদিন নির্ধারণ করবেন, সেদিন আলোচনা হতে পারে। তিনি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এসেছেন। আমাদের দিক থেকে অসুবিধা নেই। ৭১ বিধি শেষে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেন।’
ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনার বিধিটি আমরা দেখছি। ৭১ বিধির পরেই নোটিসটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাব।’ পরে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান দিতে হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান আবারও মাইক নেন। তিনি বলেন, ‘আমি জেনেশুনে এ সময় বিষয়টি উত্থাপন করেছি। আমার জানামতে, এটাই সময়। ৭১ বিধির আগে এটা উত্থাপন করার সুযোগ আছে। ৬৪ বিধি অনুযায়ী বিধিটা দেখতে পারেন। সেখানে উল্লেখ আছে।’
পরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘৬৪ বিধিতে উল্লেখ আছে, কিন্তু সংসদের রীতি, তা চিফ হুইপ বলেছেন, সে জন্য বলেছি নোটিসটি আমরা পেয়েছি। ৭১ বিধির শেষে নোটিসটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেব।’
এরপর চিফ হুইপ বলেন, স্পিকার চাইলে প্রশ্নোত্তর ও ৭১ বিধি স্থগিত রেখে যেকোনো আলোচনা করতে পারেন। অবশেষে স্পিকার সংসদীয় বিধি অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যদিবসে বা নির্ধারিত সময়ে বিষয়টি আলোচনার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
দিনের কার্যসূচি শেষের দিকে ডেপুটি স্পিকার ৩১ মার্চ বিষয়টির ওপর দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে বলে সিদ্ধান্ত দেন। ডেপুটি স্পিকার সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরপরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও ফ্লোর চাইলে তিনি তাতে সাড়া দেননি।
এই সংসদে কেউ ফাঁসির মঞ্চ, কেউ গুম থেকে ফিরে এসেছি : ডেপুটি স্পিকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ হবে জাতির দর্পণ। জনগণ বসে থাকে যেন সংসদে গণতন্ত্রের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটে। এই সংসদে কেউ এসেছি ফাঁসির মঞ্চ থেকে, কেউ এসেছি গুম হওয়া থেকে। কেউ আবার কারাগারে দীর্ঘ জীবন কাটিয়ে মজলুম হয়ে সংসদে এসেছেন। এমন সংসদ বিশ্বের বুকে বিরল।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, মহান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। সংসদের সব সদস্য আমাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করে যে আস্থা ও সম্মান প্রদর্শন করেছেন, তার জন্য আমি সংসদ নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীসহ সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর)-এর জনগণের প্রতি, যাদের সমর্থনে আজ আমি সংসদ সদস্য হতে পেরেছি।
তিনি আরও বলেন, আমি একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে, যিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমৃত্যু তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়ে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে ১৩৩ অধ্যাদেশ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। এরপর অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সংসদের অধিবেশন না থাকা অবস্থায় জারি করা কোনো অধ্যাদেশ পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। সে অনুযায়ী গত ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন আইনমন্ত্রী।
সাধারণত কোনো বিল যাচাই-বাছাই করে সংসদে প্রতিবেদন দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। তবে এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়নি। অধ্যাদেশগুলো বাছাইয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি অধ্যাদেশগুলো বাছাই করে প্রতিবেদন জমা দেবে।
ফ্যাসিস্ট আমলে উন্নয়নের নামে চরম দুর্নীতি হয়েছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে যে চরম দুর্নীতি করা হয়েছে, তা আমরা উপলব্ধি করছি। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীলরাও নিজ নিজ এলাকায় ফান্ড নিয়ে চলে গেছেন।
যে কারণে উত্তরাঞ্চলের রাস্তাগুলো একেবারেই অবহেলিত থেকে গেছে। আমরা আগামীতে এ ধরনের কোনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাটসহ যোগাযোগব্যবস্থাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।
বাগেরহাট-৪ আসনের আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমাহীন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি আর অনিয়মের কারণে গ্রামাঞ্চলের সড়কের খুব বেশি উন্নতি হয়নি। রাস্তাগুলো এখনো কাঁচা রয়েছে। এই রাস্তাগুলো পাকা করার জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা কাঁচা রাস্তাগুলো পর্যায়ক্রমে পাকা করব।’
ফেনী-২ আসনের জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল জানান, ২০০৮ সাল থেকে ঢাকা মহানগরের ১২১টি রাস্তার নতুন নামকরণ হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৮৩টি ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৮টি।
বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের নামে সড়ক, ভবন ও স্থাপনার নামকরণ হয়েছে।
চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে। সংসদে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগটি ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ।
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সাতটি খেলাধুলা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন খেলা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চায় সরকার।’
তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং মাঠে শারীরিক কর্মকা-ে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। আমিনুল হক আশা প্রকাশ করেন, এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সরকারি দলের সদস্য মোশাররফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সাল থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগের অভিযোগ যাচাই করতে শিগগিরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় বিবেচনায় অনেককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জেনে অবাক হবেন, অতীতে বিসিবির আর্থিক ও মানবসম্পদ ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠীকে জনগণের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার কাজে সহায়তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, তদন্তে দোষী প্রমাণিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।