ঈদের সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার মাধ্যমে আবার দ্যুতি ছড়াচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তানিম নূর। দেশের মাটিতে দাপট দেখানোর পাশাপাশি আজ শুক্রবার থেকে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মোট ৫২টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হচ্ছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহ সাফল্যের সঙ্গে শেষ করে দ্বিতীয় সপ্তাহে পা দেওয়া সিনেমাটি নিয়ে এই লাক্স তারকা বলেন, “সত্যি বলতে বিষয়টা যেকোনো শিল্পীর জন্যই খুব আনন্দের। অভিনীত এষা মার্ডার কিংবা রেহানা মরিয়ম নূর দর্শকরা দেখেছেন, প্রশংসা করেছেন কিন্তু এত সাড়া পায়নি। তবে বনলতা এক্সপ্রেস অনেক বেশি সাড়া পেয়েছে। দর্শকরা ভালোবাসায় সিক্ত করেছেন। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া অনেক ভালো লেগেছে। দেখুন, হুমায়ূন আহমেদ স্যারের ফ্যান অনেক। পরিচালক তানিম নূর হুমায়ূন স্যারের গল্পটাকে ঠিকঠাকভাবে সিনেমায় রূপ দিয়েছেন। সবাই হয়তো ঠিকভাবে পারতেন না। এর আগে অনিমেষ আইচ ‘মিসির আলী’ নির্মাণ করে দারুণভাবে সফল হয়েছেন। একই ভাবে তানিম নূরও খুব ভালো করেছেন।”
নিজের চরিত্র নিয়ে এই অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘দর্শকরা পুরো সিনেমার প্রশংসা যেমন করেছেন, শিল্পীদের নাম ধরে ধরেও প্রশংসা করেছেন। সেখানে আমার চরিত্র নিয়েও অনেকে প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে, চঞ্চল চৌধুরী ও আমার অভিনয়ের জন্য অনেক ভালোবাসা-প্রশংসা পেয়েছি দর্শকদের কাছ থেকে। আমাদের দুজনের কেমিস্ট্রি দর্শকরা গ্রহণ করেছেন। মন্ত্রীর বউ হিসেবে আমাকে দর্শকরা একশোতে একশো দিয়েছেন। এখানে একজন ধনী নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছি। এমন চরিত্রে আগে কখনো অভিনয় করিনি। দর্শকরা আমাকে নতুনভাবে দেখবেন। অন্যরকম একটি চরিত্র, খুব উপভোগ করে কাজটি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দর্শক ভালো গল্প চায়। সিনেমার গল্প ভালো হলে দর্শক প্রেক্ষাগৃহে যান, এটা আবারও প্রমাণ হলো। আমি চাই বাংলাদেশে এই ধরনের গল্পে কাজ হোক এবং এই ধরনের কাজ আপনারা যত বেশি দেখবেন, যত বেশি মানুষকে দেখার উৎসাহ দেবেন, তত বেশি এলে ডিরেক্টররা উৎসাহ পাবে এই ধরনের কাজ করার। সো আপনারা হলে আসেন, সব সিনেমা দেখেন। আমি বলব, বনলতা এক্সপ্রেস দেখেন, দম দেখেন, প্রেসার কুকার দেখেন; বাকি যে দুটো আছে প্রিন্স, রাক্ষস সব দেখেন কিন্তু বাংলা সিনেমার পাশে থাকেন।’