ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর তথ্য অসত্য

‘ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম)। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এমন তথ্যকে ‘গুরুতর অসত্য’ এবং ‘বিভ্রন্তিমূলক’ বলে গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ৩টি বিষয়ে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, এটি সচিবদের জন্য গৃহীত কোনো প্রশিক্ষণ বা কেবল ইংরেজি শিক্ষার প্রশিক্ষণ নয়, বরং এটি সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি পদক্ষেপ।

তাদের দাবি, কর্মকর্তাদের জন্য কোর্সের কিছু অংশ ইতোমধ্যে দেশেই সম্পন্ন হয়েছে। বেশ কয়েকটি ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশ ইতালিতে সম্পন্ন হয়েছে। আর একটি কোর্সের বাকী বৈদেশিক অংশ যুক্তরাজ্যের একটি বিশ^বিদ্যালয়ে আয়োজনের সিদ্ধান্ত থাকলেও আর্থিক সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অবশিষ্ট প্রশিক্ষণার্থীদের বৈদেশিক প্রশিক্ষণের অংশটুকু ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার দেশসমূহের কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় ও বিয়ামের দাবি, সংবাদে উল্লেখিত গন্তব্য ‘পাতায়া’ নয়। এটির সম্ভাব্য ভেন্যু থাইল্যান্ড বা মালেশিয়া বা এশিয়ার কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘পাতায়া’ উল্লেখ করে সংবাদ করে প্রশিক্ষণটিকে পর্যটনকেন্দ্রিক ও অপ্রাসঙ্গিক দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তৃতীয়ত, এই প্রস্তাবটি এখনো একনেকে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়নি। এটি এখনো চূড়ান্ত নয়, বরং প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বিবেচনা।