ছুটিতে ঘুরে এলাম ঐতিহাসিক ইদ্রাকপুর কেল্লা

এ বছর রমজান আর ঈদ উপলক্ষে স্কুল ছুটি ছিল অনেকদিন। ছুটি পেলে ঘুরে বেড়ানো আমার শখ। ভ্রমণের পরিকল্পনা করা হলো। চৈত্রমাসের গরমের তীব্রতা নিয়ে বাবা ও মাকে সঙ্গে নিয়ে সকালের নাস্তা করে বেরিয়ে পড়লাম মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক ইদ্রাকপুর কেল্লা দেখতে। ইদ্রাকপুর কেল্লাটিয় এসে পৌঁছালাম তখন চৈতালী হাওয়ার সঙ্গে রৌদ্রের তাপ বেড়েই চলছে। কেল্লাটি সামনে থেকে দেখে মন খুশিতে ভরে উঠল। এর আগেও কেল্লাটি টেলিভিশন ও পত্রিকায় অনেকবার দেখেছি। কেল্লাটি ইট, চুন আর সুরকি দিয়ে তৈরি। কেল্লাটি দেখতে শাপলা ফুলের পাপড়ির মতো।  সিঁড়ি দিয়ে আমরা মূল কেল্লায় উঠি। বাবা জানালেন, এই কেল্লাটির বয়স ৩৫০ বছর। মোগল সুবেদার মীর জুমলা নির্মাণ করেছেন। এর প্রবেশপথে ইতিহাস বিবরণ লেখা আছে। সেটিও দেখলাম। আমাদের মতো অনেকে বিভিন্ন জেলা থেকে কেল্লাটি দেখতে এসেছে।

অসাধারণ নির্মাণকাজ দেখে কেল্লাটির পাশে একটু এগিয়ে ইদ্রাকপুর ‘কেল্লা জাদুঘর’ দেখতে চলে এলাম। ১০ টাকার টিকিট কেটে এ জাদুঘরে প্রবেশ করলাম আমরা। জাদুঘরে অনেক পুরনো দিনের পোড়ামাটির আসবাবপত্র, মৃৎপাত্র, ঢাকনা, কলম, পিরিচ, পাথরের টুকরো ও বিভিন্ন সময়ের ছবি দেখে এক অন্যরকম ভালো লাগল।

রুদ্রদীপ পাল

      দ্বিতীয় শ্রেণি, টংগিবাড়ী সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন, মুন্সীগঞ্জ