চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালানো অপপ্রচারের প্রতিবাদে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘উত্তর ফটিকছড়ি’ উপজেলা গঠন এবং এতে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন অভিযোগকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, ‘মিথ্যা’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন। তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায় চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, ফটিকছড়ি উপজেলা আয়তনে বড় হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ প্রেক্ষাপটে ‘উত্তর ফটিকছড়ি’ উপজেলা গঠনের উদ্যোগকে তিনি সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন। প্রস্তাবিত সদর দপ্তর ভূজপুরে স্থাপিত হলে হারুয়ালছড়িসহ আশপাশের ইউনিয়নের মানুষ সহজে প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবা পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রফেসর মো. নাজিমুল করিম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রভাষক মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ, ডা. আহমদ রহিম, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুর রহিমসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা।
সভা সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট মীর মো. ফেরদৌস আলম সেলিম। এতে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।