জ্বালানি তেল ডিজেলের সাম্প্রতিক সংকটে বিপাকে পড়েছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। জ্বালানি তেল বিশেষ করে ডিজেলের কৃত্রিম সংকটের কারণে খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে বাড়তি দামে কিনে চালাতে হচ্ছে সেচ পাম্প। এতে বাড়ছে সেচ খরচ। ফলে ক্ষেতের ফসল নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা। বোরো আবাদ মৌসুমে সেচ পাম্প চালানো এবং কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য ডিজেলের প্রয়োজন হলেও বাড়তি দাম ও প্রাপ্যতার অভাবে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানান একাধিক কৃষক।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় বিলে ডিজেল চালিত পাম্পে সেচ দিয়ে শুকনো মৌসুমে ক্ষেতে বোরো ধান, সবজি ও ডাল জাতীয় ফসলের চাষ করা হয়। বোয়ালখালী উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নের আবাদযোগ্য জমিতে এসব ফসলের চাষাবাদ হয়ে থাকে। সম্প্রতি ডিজেল তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। খুচরা পর্যায়ে মিলছে না তেল। কয়েকজন বিক্রেতা ডিজেল বিক্রি করলেও নিচ্ছেন লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়তি। তবে পাম্প থেকে নিলে সরকার নির্ধারিত মূল্যে মিললেও তা পাম্প পর্যন্ত পৌঁছাতে বাড়ছে পরিবহন খরচ। তাই কাছাকাছি থাকা খুচরা বিক্রেতাদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
জানা গেছে, বোয়ালখালী উপজেলায় একমাত্র জ্বালানি তেলের পাম্প রয়েছে পূর্ব কালুরঘাটে। যা পূর্বাঞ্চল থেকে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার দূরত্বে। এ উপজেলায় বেশিরভাগ কৃষি জমি ও বাগান রয়েছে পূর্বাঞ্চলে। ফলে ডিজেল পরিবহনে যাতায়াত ভাড়াও গুণতে হচ্ছে সেচ পাম্প চালকদের। শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের কৃষক মো.মমতাজ জানান, এই সময় সেচ না দিলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই সেচ পাম্প চালাতে তিনি খুচরা তেল বিক্রেতাদের কাছ থেকে ১২০ টাকা