চীনের সঙ্গে বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমন এবং শান্তি আলোচনার লক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মিশনে যাচ্ছেন তাইওয়ানের বিরোধী দলের প্রধান। এই সফরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে ‘পুনরেকত্রীকরণ’ বা দুই পক্ষকে একীভূত করার জোরালো প্রচেষ্টার মধ্যেই তার এই সফরটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জানা গেছে তাইওয়ানের প্রধান বিরোধী দল কুওমিনতাংয়ের (কেএমটি) চেয়ারউইম্যান চ্যাং লি-উন এক বিশেষ সফরে মঙ্গলবার (৭এপ্রিল ) চীনের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করছেন। চ্যাং নিজেই একে একটি ‘শান্তি মিশন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আগামী ৭ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এই সফর চলবে।
তবে বিরোধী দলের প্রধানের সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন তাইওয়ানের ওপর চীনের সামরিক চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। চীন গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে। অন্যদিকে, তাইওয়ানের পার্লামেন্টে বর্তমানে বিরোধী দলগুলোর আধিপত্য থাকায় সরকারের প্রস্তাবিত ৪০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এমন অস্থিতিশীল রাজনৈতিক আবহে চ্যাং লি-উনের এই চীন ভ্রমণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে তাইওয়ানিজদের পুনরেকত্রীকরণের পক্ষে টানার যে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে, চ্যাংয়ের এই সফর সেই প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব ফেলে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। মূলত