সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান অভিযুক্ত মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালের চাঁদা দাবির ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এসময় তার আরও ছয় সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে গ্রেপ্তারের কথা নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজি মামলার প্রধান অভিযুক্ত মঈনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

এর আগে সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় মঈনকে ১ নম্বর আসামি করে অজ্ঞাত ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ এ মামলা করেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে দেশজুড়ে সমাদৃত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজি ও মব সৃষ্টি ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মঈন উদ্দিন দলবল নিয়ে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে কর্মী ও কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি তিনি নিয়ম ভেঙে জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারেও (ওটি) প্রবেশ করেন। ফুটেজে সিকেডির কর্মী হানিফকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করতেও দেখা যায় তাকে।

অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম জানান, এর আগে দুই দফা হুমকির পর তিনি স্থানীয় পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের কাছে সহযোগিতা চেয়েও পাননি। এমনকি মঈন উদ্দিন বেশ কয়েকবার ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে হাসপাতালের সামনে হাজির হয়ে ডা. কামরুলের নামে নানা কুৎসা রটনা করেছেন।