শেষ যাত্রায় আশা ভোঁসলে

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে ভারতের সঙ্গীত অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। গতকাল রবিবার দুপুরে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য চলচ্চিত্রে গান গেয়ে এবং শাস্ত্রীয় সংগীতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক অনন্য নাম।

গায়িকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে। 

গতকাল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তার ছেলে বলেন, ‘আমার মা মারা গেছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্র্যান্ডে সবাই এসে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।

এখানেই তিনি থাকতেন। এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।’ 

এই কিংবদন্তি তিনি বিভিন্ন ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। তার কণ্ঠে জীবন্ত হয়ে উঠেছে পদ্মিনী, বৈজয়ন্তীমালা, মীনা কুমারী, মধুবালা, জিনাত আমান, কাজল ও উর্মিলা মাতন্ডকরের মতো অসংখ্য তারকার চরিত্র।

তার গাওয়া কিছু জনপ্রিয় গানের মধ্য ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জো দিল কো’, ‘অভি না জাও ছোড়কার’, ‘ইন্তাহা হো গায়ি ইন্তেজার কি’—এমন বহু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণেও ভূষিত হন এই শিল্পী।

দীর্ঘ সংগীতজীবনের শেষে ২০২৩ সালে দুবাইয়ে নিজের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ কনসার্টে শেষবারের মতো মঞ্চে পারফর্ম করেছিলেন আশা ভোঁসলে। তার মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো ভারতীয় সঙ্গীত জগতের।