ভোলার মনপুরায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন এলাকার বাসিন্দা কামালের ছেলে মিরাজসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল দিবাগত রাতে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর বসতঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে জিম্মি করেন। পরে তারা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তার ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যান, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। পরবর্তীতে পুনরায় হামলার আশঙ্কায় বাড়িতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ১২ এপ্রিল দিবাগত রাতে প্রধান অভিযুক্ত মিরাজ পুনরায় এলেকায় এলে ভুক্তভোগীর বাবা তাকে আটকের চেষ্টা করেন। এ সময় মিরাজ ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ১২ এপ্রিল ঘটনাটি জানার পর মামলা গ্রহণ করা হয় এবং অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মিরাজকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।