লেবাননের 'তেবনিন’ হাসপাতালে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা

দক্ষিণ লেবাননের একমাত্র সচল হাসপাতাল ‘তেবনিন’ এ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৪এপ্রিল) এ হামলা চালানো হয়। হামলায় হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুধু হাসপাতাল নয়, ঘরবাড়ি ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ চলছে বলে জানা গেছে। খবর আলজাজিরার।

গণমাধ্যম জানিয়েছে একদিকে ওয়াশিংটনে যখন কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা আরও জোরালো হয়েছে। সাধারণ মানুষের আশা ছিল ইরানের সাথে হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকেও রাখা হবে, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ফলে জনমনে চরম আতঙ্ক ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। 

জাতিসংঘ নির্ধারিত সীমান্ত বা ‘ব্লু লাইন’ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ইসরায়েলি সৈন্যরা অবস্থান নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি তথাকথিত ‘বাফার জোন’ তৈরির লক্ষ্যেই ইসরায়েল এই ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে।

বর্তমানে লেবাননে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এর মধ্যে অন্তত ৬ লাখ মানুষই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। যুদ্ধবিরতি বা কোনো স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ঘরে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লেবাননের সাধারণ মানুষের দাবি একটাই-যুদ্ধবিরতি। কিন্তু কূটনীতিকদের আলোচনার টেবিল আর মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকায় আগামী দিনগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।