দুমকিতে সূর্যমুখী চাষে সম্ভাবনা, বাড়ছে আবাদ

পটুয়াখালীর দুমকিতে সূর্যমুখী চাষের আবাদ বাড়ছে, কম খরচ ও বেশি লাভের আশায় কৃষকদের আগ্রহও বাড়ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এখন বিস্তীর্ণ জমিতে সূর্যমুখীর হলুদ ফুলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। একসময় যেখানে বোরো ধান চাষ হতো, সেখানে এখন বিকল্প হিসেবে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। কৃষকদের মতে, এই তেলবীজ ফসলে খরচ কম, সেচের প্রয়োজনও কম এবং লাভজনক হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

স্থানীয় কৃষক মো. সেরাজ উদ্দিন খান, আবুল বাশার ও ওলিউর রহমান জানান, সূর্যমুখী চাষে ফলন ভালো হওয়ায় তারা লাভবান হচ্ছেন। কেউ কেউ নিজস্ব ব্যবহারের জন্য তেল উৎপাদন করছেন, আবার বাজারেও বিক্রি করছেন। নতুন কৃষকরাও এই চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

তবে বাজারজাতকরণ, ন্যায্যমূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাবকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এসব কৃষকরা। তারা আরও সরকারি সহায়তা ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া জানান, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হেক্টরের বিপরীতে এবার ৪১ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। কৃষি প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের বীজ ও সার দেওয়া হচ্ছে এবং আগামীতে আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।