দুই ক্যাচ মিস
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ২১ রানের মাথায় পরপর দুই বলে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে হারিয়ে চাপে পড়ে দল।
সাইফ-লিটনের প্রতিরোধ ও হৃদয়ের লড়াই
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান ওপেনার সাইফ হাসান ও উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস। দুইজনে মিলে গড়েন লড়াকু এক জুটি। সাইফ ৫৭ রান করে আউট হওয়ার আগে দলকে ১১৪ রানে পৌঁছে দেন। কিছুক্ষণ পর লিটন দাসও ৪৬ রান করে সাজঘরে ফিরলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হারায় বাংলাদেশ।
এরপর তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেনের মধ্যে ৫২ রানের একটি কার্যকর জুটি হয়। হৃদয় খেলেন ৫৫ রানের দারুণ এক ইনিংস। তবে ৪১তম ওভারে আফিফ (২৭) আউট হওয়ার পর থেকেই ম্যাচ বাংলাদেশের হাত থেকে ফসকে যেতে শুরু করে।
ব্লেয়ার টিকনারের ম্যাজিক স্পেল
ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ব্লেয়ার টিকনারের অষ্টম ওভারটি। শেষ ৭ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৫৬ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। প্রথম ৭ ওভারে ৩২ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকা টিকনার নিজের শেষ স্পেলে ফিরে এসে সব ওলটপালট করে দেন। প্রথমে তিনি সাজঘরে পাঠান অধিনায়ক মিরাজকে। নিজের পরের ওভারে রিশাদ ও শরিফুলকে পরপর দুই বলে আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান। মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন।
শেষ পর্যন্ত ৪৮.৩ ওভারে ২২১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। নাথান স্মিথ শেষ উইকেটটি তুলে নিলে ২৬ রানের জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড। চোট কাটিয়ে ফেরা টিকনারই মূলত বাংলাদেশের নিশ্চিত জয়ের মুখ থেকে ম্যাচটি কেড়ে নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
- নিউজিল্যান্ড: ২৪৭/৮ (৫০ ওভার); হেনরি নিকোলস ৬৮, ডিন ফক্সক্রফট ৫৯; শরীফুল ২/২৭, রিশাদ ২/৪৪।
- বাংলাদেশ: ২এল (৪৮.৩ ওভার); সাইফ হাসান ৫৭, তাওহীদ হৃদয় ৫৫; ব্লেয়ার টিকনার ৪/৪০।
- ফলাফল: নিউজিল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী ।