শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ সেবা সহজ ও গ্রাহকবান্ধব করতে একই আঙিনায় থাকা একই মালিকানাধীন এক শিল্প ইউনিটের অব্যবহৃত গ্যাস লোড আরেক ইউনিটে স্থানান্তরের সুযোগ দিচ্ছে সরকার। গতকাল সোমবার এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাস চাহিদা এবং বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ বিবেচনায়, আন্তর্জাতিক চর্চা বিশ্লেষণ করে গ্যাস বিতরণ ও বিপণন সেবাগুলো আরও গ্রাহকবান্ধব এবং সহজ করতে নতুন এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অনেক দিন ধরেই শিল্পকারখানার মালিকদের পক্ষ থেকে দাবি ছিল, অনুমোদিত গ্যাসের লোড স্থানাস্তরের সুবিধা যাতে দেওয়া হয়।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের নির্দেশনায় গ্যাস সরঞ্জাম পুনর্বিন্যাস ও প্রতিস্থাপন, শিল্প ইউনিটগুলোর মধ্যে অব্যবহৃত লোড স্থানান্তর, ক্যাপটিভ পাওয়ার থেকে শিল্প শ্রেণিতে লোড স্থানান্তর এবং মিটার স্থাপনের পর গুণগত মান যাচাইয়ের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্যাস সরঞ্জামাদির অনুমোদিত ঘণ্টাপ্রতি লোড অপরিবর্তিত রেখে সরঞ্জাম পুনর্বিন্যাস ও প্রতিস্থাপনের কাজ সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানির তালিকাভুক্ত ঠিকাদার দিয়ে করাতে হবে। এ জন্য গ্যাস বিতরণ কোম্পানির আলাদা অনুমতি লাগবে না।
একই আঙিনায় অবস্থিত একই মালিকানাধীন আরেকটি শিল্প ইউনিটের অব্যবহৃত লোড সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা আঞ্চলিক প্রধানের অনুমোদন সাপেক্ষে স্থানান্তর করা যাবে।
একই আঙিনায় অবস্থিত একই মালিকানাধীন অন্য একটি শিল্প ইউনিটে ক্যাপটিভ পাওয়ার শ্রেণিতে কার্যকর লোড প্রয়োজনে স্থানান্তর করা যাবে শিল্প শ্রেণিতে। তবে শিল্প শ্রেণিতে কার্যকর লোড কোনো অবস্থাতেই ক্যাপটিভ পাওয়ার শ্রেণিতে স্থানান্তর করা যাবে না।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, মিটার বসানোর পর অনধিক সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ ও বিপণন কোম্পানিকে গুণগত মান যাচাই করতে হবে।