কেমন সানস্ক্রিন আপনার জন্য উপযোগী

গরম পড়তেই ত্বকের যত্নে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সানস্ক্রিন। কিন্তু বাজারে এত ধরনের সানস্ক্রিনের মধ্যে কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে যদি না জানেন। প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে এসপিএফ ৩০ বা এসপিএফ ৫০-এর দিকে। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য এসপিএফ ৩০ যথেষ্ট, তবে দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে এসপিএফ ৫০ বেছে নেওয়া ভালো।

এরপর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘ব্রড-স্পেকট্রাম’ সানস্ক্রিন। এ ধরনের সানস্ক্রিন ইউভিএ ও ইউভিবি দুই ধরনের ক্ষতিকর রশ্মি থেকেই ত্বককে রক্ষা করে। ইউভিএ ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং অকাল বার্ধক্য, রিঙ্কলসের কারণ হতে পারে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী সানস্ক্রিন বেছে নেওয়াও জরুরি। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য জেল-বেসড বা ম্যাট ফিনিশ সানস্ক্রিন ভালো, যা ত্বককে তেল তেলে করে না। শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম-বেসড সানস্ক্রিন উপযোগী, যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজড রাখে। সেনসেটিভ ত্বকের ক্ষেত্রে মিনারেল সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই নিরাপদ। পানি বা ঘামের সংস্পর্শে এলে সানস্ক্রিন উঠে যেতে পারে, তাই ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট সানস্ক্রিন বেছে নেওয়া ভালো। তবে মনে রাখতে হবে, এটি স্থায়ী নয়। অনেকেই মনে করেন শুধু বাইরে বেরোনোর সময়ে সানস্ক্রিন লাগালেই যথেষ্ট। কিন্তু ঘরের ভেতরেও ইউভি রশ্মির প্রভাব থাকতে পারে, তাই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

সানস্ক্রিন লাগানোর সঠিক পদ্ধতিও জানা জরুরি। বাইরে বেরোনোর অন্তত ১৫-২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগানো উচিত, যাতে এটি ত্বকে ভালোভাবে কাজ করতে পারে। মুখের পাশাপাশি ঘাড়, কান এবং হাতের মতো খোলা অংশেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। অনেকেই কম পরিমাণে ব্যবহার করেন, ফলে সঠিক সুরক্ষা পাওয়া যায় না। ন্যূনতম তিন থেকে চার ফোঁটা ব্যবহার করতে হবে। যাতে  ত্বক যথাযথ সুরক্ষা পায়। এর পাশাপাশি কেনার সময়ে এক্সপায়ারি ডেট দেখে নেওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।