ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি আবাসিক ভবন থেকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার এক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে থেকে দুপুরের মধ্যে কোনও এক সময় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শেখ রাজু ইসলাম (৩৮) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামের নুরুল ইসলাম ও রাশিদা বেগমের ছেলে। তার স্ত্রী হেপি আক্তার ভাঙ্গা উপজেলার ৮ নম্বর আতাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার শেখ রাজু গোপালগঞ্জ থেকে ভাঙ্গা পৌরসভার কোটপাড় এলাকার মাতৃকুঞ্জ নামের সাততলা ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসায় আসেন। শনিবার সকালে স্ত্রী, বড় মেয়ে আরিশাকে নিয়ে স্কুলে গেলে তিনি ছোট মেয়ে আমেনাকে নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন। এর একপর্যায়ে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দশটার মধ্যে স্ত্রী হ্যাপি আক্তার এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে তার শেষ কথা হয়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছোট মেয়ে আমেনা খেলাধুলা শেষে বাসায় ফিরে তার বাবাকে ঘরের ভেতরে ফ্যানের হুকে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরবর্তীতে বিষয়টি শিশুটি তার মাকে জানালে আশপাশের লোকজন এসে মরদেহটি নিচে নামায়। পরে স্থানীয় ভাঙ্গা থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।