নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার কিংবা হয়রানি না করার নির্দেশনা এসেছে উচ্চ আদালত থেকে। কারাগারে থাকা আইভীকে নারায়ণগঞ্জের দুটি হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানো) দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রবিবার এ আদেশ দেয় হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই মামলায় গ্রেপ্তারের বৈধতা নিয়ে রুলও দিয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আইভী রহমান বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি আছেন। গত বছরের ৯ মে ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত বছরের ৯ নভেম্বর হত্যা ও গুরুতর আঘাতের পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে জামিন স্থগিত হয়ে যায়। পরে ১৮ নভেম্বর তাকে আরও পাঁচ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট এই পাঁচ মামলায় জামিন দেওয়ার পর চেম্বার আদালতে এ জামিনের আদেশও স্থগিত হয়।
অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু দেশ রূপান্তরকে বলেন, আরও দুটি হত্যা মামলায় আইভী রহমানকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আদালত নির্দেশনা দিয়েছে যে, তাকে নতুন কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো যাবে না। আর যে মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল দিয়েছে হাইকোর্ট। তিনি বলেন, দুই মামলায় নারায়ণগঞ্জের অধস্তন আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।