লিগ্যাল এইড সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে: আইনমন্ত্রী 

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘ন্যায়বিচার মানুষের শাশ্বত ও সহজাত অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিতে লিগ্যাল এইড সেবাকে দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। মামলার জট কমাতে  লিগ্যাল এইডকে আরও কার্যকর করতে হবে।’ 

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আলোচনা সভার আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি। আজ নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়। 

দেশের বিদ্যমান মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও বেশি কার্যকর করার আহ্বান জানান অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে লিগ্যাল এইডের ধারণা প্রথম আসে ১৯৯৪ সালে। সে সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গরিব ও অসহায় মানুষের আইনি সহায়তার জন্য একটি তহবিল গঠন করেন। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সেই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’ 

বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিচার বিভাগের জন্য প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। এ খাতে আরও বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি। লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসার মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।