মার্কিন বাহিনীর 'কবরস্থান' হবে হরমুজ প্রণালী: ইরান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এক শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতিকে 'জলদস্যুতা' আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেছেন, উত্তেজনা বাড়লে এই জলপথই মার্কিন বাহিনীর জন্য 'কবরস্থানে' পরিণত হতে পারে। 

রবিবার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের সদস্য ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজায়ী বলেন, 'বিশ্বে একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রই এমন দস্যু, যাদের হাতে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে।' তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে এসব রণতরী ধ্বংসের মুখে পড়বে। 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ চালাতে গিয়ে মার্কিন নৌবাহিনী 'দস্যুর মতো আচরণ' করছে। গত মাসে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি অবরোধের নির্দেশ দেন। বিশ্বে মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। 

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করে ইরান। এর আগে ইসলামাবাদে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

ইরানের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কখনোই যুক্তরাষ্ট্রকে এই নৌ অবরোধে সফল হতে দেবে না। তাদের হাতে এমন  শক্তি রয়েছে, যা দিয়ে এই অবরোধের মোকাবিলা করা সম্ভব।

রেজায়ী আরও বলেন, 'যেভাবে ইসফাহানে আপনাদের বিমান ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল, ঠিক সেভাবেই আপনাদের রণতরী ও বাহিনীর জন্যও কবরস্থান প্রস্তুত থাকবে।'