টানা ৬ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদন শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭মে) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে ফিরে। প্রথম ইউনিট থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করা হচ্ছে। এর জন্য দৈনিক ৭শ’ টন কয়লার দরকার হবে।
সর্বশেষ গত ১ মে রাত সাড়ে ৮টায় সচল হয়ে শনিবার (২ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বয়লারের টিউব ফেটে প্রথম ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ইউনিটটি টানা ৬ দিন বন্ধ থাকে।
এরআগে ২২ এপ্রিল রাত ১০ টা ২ মিনিটে কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লার পাইপ ফেটে যায় ও কুলিং ফ্যান ভেঙ্গে ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়।
৪৮ ঘন্টা পর ২৪ এপ্রিল রাত ৮টায় উৎপাদনে ফিরে। চালু হওয়ার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যে আবার ২৫ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবারও বন্ধ হয়ে যায় প্রথম ইউনিটি। ৬ দিন পর ১ মে প্রথম ইউনিট পুনরায় উৎপাদনে ফেরার পর ২ মে সকাল সাড়ে ৭টায় আবার বন্ধ হয়ে যায়।
কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কখনই উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি শুরু থেকেই। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৩ ইউনিট মিলে লক্ষ্য অনুযায়ী ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হলে কয়লার ব্যবহার নিশ্চিত হতো। সেখানে কয়লার প্রয়োজন পড়তো ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ২শ মেট্রিক টন। এখন পাওয়ার প্লান্টে কয়লা যায় ৭০০ থেকে ৮০০ মেট্রিক টন মাত্র। ইয়ার্ডে মজুত প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নির্মাণকাল থেকেই ইউনিটের সমস্যা। প্রথম ইউনিটটি পুরনো ইউনিট। এটি চালু হয় আবার বন্ধ হয়। আবার কখন বন্ধ বলা মুশকিল।
৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।