তাইওয়ান জানিয়েছে, তারা একটি 'স্বাধীন ও সার্বভৌম' রাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হলো। ট্রাম্প সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনিপিং এর সঙ্গে বেইজিং সফরের পর তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা না করার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।
শনিবার (১৬ মে) এক বিবৃতিতে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, 'তাইওয়ান একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ এবং এটি চীনের অধীন নয়।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি তাইওয়ানের প্রতি ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অংশ। মন্ত্রণালয় জানায়, 'যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান অস্ত্র বিক্রি কেবল নিরাপত্তা সহযোগিতা নয়, এটি আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধের একটি মাধ্যম'।
তাইওয়ানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী চেন মিং-চি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্ত্র সহযোগিতা ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’-এর আওতায় নিশ্চিত এবং এটি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
তিনি আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান অস্ত্র বিক্রি দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।'
প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরও প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি প্যাকেজ এখনও ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে চেন দ্বিতীয় প্যাকেজ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, কারণ এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, তাইওয়ান পরিস্থিতি বোঝার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।
সতর্কবার্তার আগের দিনই বেইজিং সফর শেষ করেন ট্রাম্প, যেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়ে জোর দেন।