বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণ ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে কর্মশালা

‘বিশেষ শ্রেণীর চলচ্চিত্র নির্মাণ, প্রদর্শন ও এর মাধ্যমে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি, সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক কর্মশালা শনিবার (২৩ মে) ঢাকার আগারগাঁওয়ের পরমাণু ভবনে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত  হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. আল আমিন রাকিব।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধে বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্রের গুরুত্ব, নির্মাণ কৌশল, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, সাধারণ বিনোদনধর্মী বা শিক্ষামূলক চলচ্চিত্রের তুলনায় বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্দিষ্ট পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের জন্য নির্মিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও সার্জারি শিক্ষায় এসব চলচ্চিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসা-সংক্রান্ত জটিল প্রক্রিয়া, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে এ ধরনের চলচ্চিত্র কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম।

কর্মশালায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য  রাখেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক মো. হিরুজ্জামান এনডিসি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিসতার জাহান। 

এসময় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি বলেন, চলচ্চিত্রের নিজস্ব ভাষার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণ করা গেলে তা সংশ্লিষ্ট দর্শকদের জন্য সহজবোধ্য ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি এটি সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন অভিনেতা সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা বিসিটিআইয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বহুমাত্রিক সুযোগ পাচ্ছে। এসব সুযোগের যথাযথ ব্যবহার দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান  ড. এম. মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পরিচালকগণসহ বিসিটিআই-এর প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন।