সৌদি আরব থেকে আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) বাংলাদেশে নিয়ে আসবে ট্যাংকার জাহাজ ‘এমটি নিনেমিয়া’। আগামী ৩০ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটিতে এক লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড তেল বোঝাই করা হবে।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মহাব্যবস্থাপক (চার্টারিং অ্যান্ড ট্র্যাম্পিং) ক্যাপ্টেন মো. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে চলতি মাসের ৬ মে প্রথম দফায় এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে কুতুবদিয়া বহির্নোঙরে পৌঁছায় এমটি নিনেমিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালির ঝুঁকি এড়িয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। পরে তেল খালাস শেষে নতুন চালান আনতে আবারও ইয়ানবুর উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি।
এদিকে, গত ২১ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর থেকে এক লাখ টন মারবান লাইট ক্রুড নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায় ‘এমটি ফসিল’ নামের আরেকটি ট্যাংকার। বর্তমানে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে সেই তেল খালাস করছে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (ইআরএল)।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীন দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি শতভাগ অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল। সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান লাইট ক্রুড আমদানি করা হয়। এসব তেল পরিবহনের দায়িত্ব পালন করছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।
অন্যদিকে, এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবোঝাই ‘এমটি নর্ডিক পোলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছে বলে জানা গেছে। জাহাজটি কবে বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি বিএসসি।