সাভারের আমিনবাজারে কাঁচা চামড়া ক্রয় কেন্দ্রে বাণিজ্যমন্ত্রী 

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেছেন, স্টেক হোল্ডাররা চামড়া মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত ছিলো এবং যেদিন 
চামড়ার মূল্য নির্ধারন করে ঘোষণা দেয়া হয়, সেদিন চামড়া সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ি, সংগঠনের প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সরকার ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকার ভিতরে প্রতি বর্গফুট লবন যুক্ত কাঁচা চামড়া ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে । চামড়ার যে মূল্য সেটি হচ্ছে লবন মাখা চামড়ার মূল্য, যারা লবন মাখিয়ে ক্রেতার কাছে নিয়ে যাবেন তারা প্রকৃত মূল্য পাবেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় সাভারের আমিনবাজারে কাঁচা চামড়া ক্রয় কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। 
এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো বেশী বেশী বৈদেশিক মুদ্রা আর কর্মসংস্থান। আগামী দিনে যাতে বাংলাদেশের সমস্ত কোরবানির চামড়া আমরা শতভাগ সংরক্ষণ করতে পারি আমরা রপ্তানি খাতে ব্যবহার করতে পারি একটি দ্বি কর্মসংস্হান সৃষ্টি করতে পারি সেজন্য সাভারের সিইটিপির সমস্যাসহ যে সমস্ত ট্যানারি হাজারীবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তরিত হতে গিয়ে রুগ্ন হয়ে পড়েছে অথবা আদৌও ব্যবসা শুরু করতে পারিনি এদের ব্যাপারে একটি ফয়সালায় পৌঁছে,  আমরা এ চামড়াখাতকে পুরোপুরি বিকশিত খাতে রুপান্তরিত করতে চাই।
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের বিশ্বাস আজকে যেটি মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাত এটিকে ১০/১২ বিলিয়ন ডলারে রপ্তানি খাতে রুপান্তরিত করা সম্ভব।  আমাদের প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত আগ্রহী,  আমরা যেন একটাও নষ্ট না হয়। এটি রপ্তানি মাধ্যমে আমরা যেন সর্বোচ্চ মুদ্রা অর্জন করতে পারি।

চামড়া পাচার হবার কোন কারন দেখি না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যে সমস্ত জায়গায় চামড়া গুলো এসে জড়ো হয়, তার প্রত্যেকটি কেন্দ্রের সাথে আমাদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ আছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমরা একটি মনিটোরিং সেল করেছি, সেখানে সার্বক্ষনিক ভাবে আমাদের কিছু কর্মকর্তা কাজ করছে। এবং প্রত্যেক জেলার জেলা প্রশাসক, বিসিকের কর্মকর্তা তাদের সাথে আমাদের যোগাযোগ আছে। ঢাকা এবং জেলা সদরগুলোতে আমাদের টীম কাজ করছে। চামড়া পাচার হবার কোন বিষয় নাই, চামড়া অক্ষত রেখে সময় মতো লবন মাখিয়ে সংরক্ষণ করে, এটিকে যেন আমরা রপ্তানি জন্য ব্যবহার করতে পারি সে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।