ঈদুল আজহার নামাজের জামাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মধ্যকার দূরত্বের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাষ্ট্রপতিকে ‘দূরে সরিয়ে দেওয়ার’ পেছনে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ঈদুল ফিতরে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করলেও এবারের ঈদের জামাতে তাদের আসনে ছিল উল্লেখযোগ্য ফারাক। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী জাতীয় ঈদগাহে দুজনই এক কাতারে বসেন। কিন্তু এবারের আসন বিন্যাস ছিল: প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এবং এরপর রাষ্ট্রপতি।
অনেকেই ফেসবুকে প্রশ্ন তুলেছেন, মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ প্রটোকলের এই আকস্মিক পরিবর্তন এবং দুজনের মধ্যকার ‘দূরত্ব’ কী শুধুই নিরাপত্তার খাতিরে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে?
এদিকে সম্প্রতি চিকিৎসার নামে লন্ডন সফরে অভিজাত মার্কেটে কেনাকাটার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সরকারের শীর্ষ মহল রাষ্ট্রপতির ওপর নাখোশ হন বলে জানা গেছে।
বিএনপি রাষ্ট্রপতি পদে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে বহাল রাখলেও এ নিয়ে সমালোচনা আছে দেশজুড়ে। পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন ব্যক্তি কীভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে বহাল থাকতে পারেন-সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকেই।