“কিছু রাত নিঃশব্দেই বদলে দেয় সবকিছু”

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের পর্দায় উপস্থিতি মানেই ভিন্ন কিছু। এবার একদমই ভিন্ন ধাঁচের এক সামাজিক ও নিষিদ্ধ গল্পের বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। সিনেমার নাম ‘নেভার মাইন্ড’। 

এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার পরিচালকের আসনে বসলেন অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল। 

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর দুয়েক আগে টলিপাড়ায় গুঞ্জন উঠেছিল, চৈতির পরিচালনায় ডেবিউ সিনেমায় বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে ঋতুপর্ণাকে। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করে প্রকাশ্যে এলো ছবির প্রচারঝলক। 

পোস্টার শেয়ার করে ঋতুপর্ণা লিখেছেন, কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু। তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে ‘নেভার মাইন্ড’। এই সিনেমার আরেকটি বড় চমক হলো, পরিচালক চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায় এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন। অবশ্য বড় পর্দায় অমর্ত্যর এটি প্রথম কাজ নয়, এর আগেও তাকে অভিনয়ে দেখা গেছে। তবে এবারই প্রথম মায়ের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আর মা-ছেলের এই নতুন সিনে-সফরের অন্যতম প্রধান সারথি হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সিনেমার গল্পটি আবর্তিত হয়েছে একজন নারীকে কেন্দ্র করে।

যিনি নিজের অতীতের একটি বিশেষ অধ্যায় বা বিষয় খুঁজতে খুঁজতে কলকাতার বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিটের একটি বারে এসে পৌঁছান। সেখানেই তার পরিচয় হয় এক অল্পবয়সী বার সংগীতশিল্পীর সঙ্গে। কলকাতার বুকে বাস করা এমন কিছু মানুষকে নিয়ে এই ছবির গল্প, যাদের পেশা, জীবনবোধ এবং দর্শন একে অপরের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। পার্ক স্ট্রিটের চেনা প্রেক্ষাপটকে এই সিনেমায় একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে ও নতুন রূপে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে সিনেমাটিতে একটি মানবিক বার্তাও থাকবে বলে জানা গেছে।