চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আমদানিকারকদের হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৷
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সাংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে অর্থমন্ত্রী এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রশ্নে মো. আব্দুল্লাহ্ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কাস্টমসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ শতভাগ পরীক্ষার পরও পণ্য পুনঃনিরীক্ষার নামে আমদানিকারকদের নানাভাবে হয়রানি করে। তাই হয়রানি হইতে নিস্তার বা রক্ষার কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করা হইবে কিনা হইলে, তাহা কত দিনের মধ্যে কার্যকর হইবে?
উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ ধরনের হয়রানি প্রতিরোধে কাস্টমস রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে এর কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উক্ত ব্যবস্থা কার্যকর করার মাধ্যমে ঝুঁকিভিত্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে মানবীয় হস্তক্ষেপ ব্যতিরেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পণ্য পরীক্ষণের জন্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে ASYCUDA World সিস্টেমের Risk Management মডিউল উন্নয়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যে স্বয়ংক্রিয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করা হয়েছে।
পুনঃপরীক্ষণের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিশ্চিতকরণ, স্ক্যানিং প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং তদারকি কার্যক্রম জোরদারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে হয়রানি প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া, কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বা অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।