চার বিশ্ববিদ্যালয় পেল ৫ উপ-উপাচার্য

দেশের চারটি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন পাঁচজন উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বা প্রোভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। আজ বুধবার (১০ জুন) সকালে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নতুন নিয়োগ পেলেন যারা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (একাডেমিক): চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) পদে নিয়োগ পেয়েছেন ড. মো. সফিকুল ইসলাম। তিনি চবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বর্তমানে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (প্রশাসন): চবির উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীনকে।

ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়: ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস ছিদ্দিকীকে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন।

একই সাথে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (একাডেমিক) মোহাম্মাদ শামীম উদ্দিন খান, প্রোভিসি (প্রশাসন) ড. কামাল উদ্দিন এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ড. মোহাম্মদ রেজুয়ানুল হককে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজ নিজ মূল পদে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ-সংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনগুলোতে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, নতুন উপ-উপাচার্যরা তাদের বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি ও বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা পাবেন এবং তাদের সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

তবে জনস্বার্থে জারি করা এসব আদেশ রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের প্রয়োজনে যে কোনো সময় বাতিল করার ক্ষমতা রাখেন বলেও উল্লেখ করা হয়।