ইসলামী ব্যাংক ‘ডাকাতের হাতে’ তুলে দেওয়া হবে না: সেলিম উদ্দিন

ইসলামী ব্যাংককে ‘ডাকাতের হাতে’ তুলে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর ও ডিএনসিসি মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। 

তিনি বলেছেন, দেশের আর্থিক খাতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা তৈরি করা হচ্ছে। তবে জনগণের আমানতের প্রতিষ্ঠানকে কোনোভাবেই ‘ডাকাতের হাতে’ তুলে দিতে দেওয়া হবে না। এ সময় সীমান্তে হাজার হাজার মানুষকে পুশ-ইন করার চেষ্টা চললেও এ বিষয়ে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে একটি রেস্তোরাঁয় প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের প্রচার-মিডিয়া বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ মতবিনময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড.মুহাম্মদ রেজাউল করিম। এ সময় মহানগরী প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদিসহ মিডিয়া বিভাগের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

সেলিম উদ্দিন বলেন, সরকারে না থেকেও জামায়াতে ইসলামী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। ঢাকা মহানগর উত্তরের ৫৪টি ওয়ার্ডে প্রায় ২০০টি অস্থায়ী স্কুলের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সেবার আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অতীতে এসব সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সুবিধাভোগীদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিরপেক্ষ ও অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গিতে পর্যবেক্ষণ করলে জামায়াতের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে নগর জীবনের সমস্যা ও অসঙ্গতিগুলো গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরা হলে সেগুলোর সমাধানে জামায়াত ঢাকা মহানগর উত্তর সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে।

তিনি আরও জানান, জুলাই আন্দোলনের পুরো সময় জামায়াতে ইসলামী শিক্ষার্থীদের পাশে ছায়ার মতো ছিল। জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের তালিকা প্রণয়ন ও তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার ক্ষেত্রেও দলটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।