গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কভার্ডভ্যানের হেলপার স্বামী কাজে থেকে ঘরে ফিরে দেখেন মেঝেতে পড়ে আছেন স্ত্রীর লাশ। বুধবার (১০ জুন) ভোরে উপজেলার মৌচাক টাওয়ার মার্কেট এলাকায় তাদের ভাড়া বাসা থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের পরনের কাপড় ও মাথার চুল এলোমেলো, শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে রহস্যজনক মৃত্যু বলে দাবী স্থানীয়দের।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাকরাইদ এলাকার জলিল মিয়ার মেয়ে সাহেরার খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার শ্যামলের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর জীবিকার তাগিদে তারা দুজনে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন। পরে তারা উপজেলার মৌচাক টাওয়ার মার্কেট এলাকার মানিক মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাসা ভাড়া থেকে স্বামী শ্যামল একটি কভার্ডভ্যানের হেলপার ও তার স্ত্রী সাহেরা স্থানীয় পোশাক কারখানায় কাজ করেন।
গত মঙ্গলবার দুপুরে বাসায় খাবার খেয়ে তার কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বের হন স্বামী শ্যামল। কিন্তু তিনি কাজ শেষে আনুমানিক রাত ২টার দিকে ভাড়া বাসায় ফিরে বাহির থেকে ঘরের ছিটকিনি দেখতে পান। এরপর ছিটকিনি খুলে ঘরের ভেতরে মেঝেতে মাথার চুল ও শরীরের কাপড় এলোমেলো অবস্থায় স্ত্রীর লাশ দেখতে পান স্বামী শ্যামল। পরে তার ডাক-চিৎকারে ভাড়া বাসার মালিক ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে নিহতের কাপড় ও মাথার চুল এলোমেলো, শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে রহস্যজনক মৃত্যু বলে দাবী স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানধীন মৌচাক ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ শামীম হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।