নবম পে-স্কেল : ​​​​​​​আলাদা বরাদ্দ নেই বাজেটে

আজ নতুন সরকারের প্রথম বাজেট। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আলাদা কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হচ্ছে না। তবে বেতন-খাতে ৮৯,৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের জন্য বাজেটে কোনো 'বিশেষ' বা অতিরিক্ত থোক বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিশাল আর্থিক সংকুলানের কথা বিবেচনা করে সরকার পুরো পে-স্কেল একবারে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে। খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেসিকের ৫০ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হতে পারে। 

আলাদা কোনো বাজেট বরাদ্দ না থাকলেও আগামী জুলাই থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জোর প্রস্তুতি চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার কাজ শেষ হওয়ার পর মূল বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ কার্যকর করা হতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে মোট ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বেতনের জন্য ১৩ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা, কর্মচারীদের বেতনের জন্য ৩০ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন ভাতা বাবদ ৪৪ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে অর্থসংকট বড় কোনো প্রতিবন্ধকতা হবে না। কারণ, প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন খাতে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের জন্যও আলাদা সংরক্ষিত অর্থ রয়েছে। প্রয়োজন হলে এসব উৎস থেকেই অতিরিক্ত ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

ফলে বাজেটে পৃথক বরাদ্দ না থাকলেও আগামী জুলাই থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।