প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’

বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ হলো আমাদের খাদ্যাভ্যাস, যার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান দেশীয় ফলমূল, শাকসবজি ও কৃষিজ সম্পদ। সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশের প্রকৃতির অপার আশীর্বাদে উৎপাদিত দেশীয় ফল স্বাদ, গুণাগুণ ও পুষ্টিমানে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বিশেষ করে জ্যৈষ্ঠ্য ও আষাঢ় মাসে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, লটকনসহ নানা মৌসুমি ফলের সমারোহে মুখর হয়ে ওঠে বাংলার জনপদ।

এই ঐতিহ্য ও দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে আজ ১১ জুন ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে দুইদিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকাল ১১টায় আয়োজিত উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আম, জাম, লিচু, কাউ, কাঁঠাল, লটকনসহ বিভিন্ন দেশীয় রসালো ফলের সমারোহ ও সুবাসে মুখরিত ছিল আয়োজনস্থল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. আনোয়ারুল কবির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম খান নাঈম, স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিনের পরিচালক মিসেস আফরোজা হেলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জাহেদুর রহমান, প্রক্টর মো. আনিছুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধানগণ, স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড মুশফিকুর রহমান ধ্রুব এবং পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড জাহিদ হাসান।

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মকে দেশের ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।