আগের দুই ম্যাচ জিতে সিরিজটা আগেই নিজেদের করে রেখেছে বাংলাদেশ। লক্ষ্য এবার অজিদের হোয়াইটওয়াশের, যেকোনো ফরম্যাটে প্রথমবারের মতো। ছয়বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়তে মিরপুরে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে আজ রবিবার টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিকরা। সেখানে লিটন-হৃদয়-মোসাদ্দেকদের ব্যাটিং নৈপূণ্যে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ তুলেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
নিয়মিত অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। এতে এই ম্যাচে তিনি আছে বিশ্রামে। সেখানে নেতৃত্ব থামে শান্তর হাতে। মিরাজের বদলে একাদশে জায়গা মিলেছে গতকাল বিকেলেই দলে ঢোকা শেখ মেহেদীর। এদিকে আর নাহিদ রানাকেও বিশ্রাম দিয়ে খেলানো হচ্ছে শরীফুল ইসলামকে।
এদিকে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের শুরুর ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ছন্দে থাকা সৌম্য সরকার এদিন ফিরেছেন কেবল ২ রান করে। তবে আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানকে নিয়ে শুরু চাপ সামলে এগোতে থাকেন অধিনায়ক শান্ত। তাদের ফিফটি পেরোনে থামে পাওয়ারপ্লের শেষ বলে, সেখানে ১৯ রান করে ফেরেন তানজিদ।
এরপর শান্তও হতে পারেননি থিতু। দলীয় ৬১ রানের মাথায় ম্যাথু রেনশ'র বলে ফেরেন বোল্ড হয়ে। খেলেন ৫০ বলে স্রেফ ২৪ রানের এক ধীরগতির ইনিংস। তবে টপ অর্ডারে সেই চাপ উতরে যায় লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়ে ৯২ রানের জুটিতে। এই জুটি অবশ্য ছাড়িয়ে যেতে পারত। তবে দলীয় ১৫৩ রানের মাথায় পায়ের পেশির অস্বস্তিতে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ছাড়েন মাঠেন।
পরে হৃদয়-মোসাদ্দেক জুটি থেকে আসে আরো ৯৩ রান। শেষ দিকে অবশ্য ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন লিটন। ৫৮ রানে ছিলেন অপরাজিত। অন্যদিকে ৫৬ রানের অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক। দলীয় সর্বোচ্চ ৮৩ রান আসে হৃদয়ের ব্যাট থেকে।