শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণের জন্য ১০০০ ফুটবল দিল পাকিস্তান

বাংলাদেশের সরকারি স্কুলগুলোতে বিতরণের জন্য এক হাজার ফুটবল দিয়েছে পাকিস্তান। এসব ফুটবল ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। বৈঠকের পর ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

হাইকমিশন জানিয়েছে, এ সময় তিনি ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’-এর অগ্রগতি তুলে ধরেন। পাশাপাশি যুব উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং, শারীরিক শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের শিয়ালকোটভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফরোয়ার্ড স্পোর্টসের তৈরি একটি ফুটবল শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দেন হাইকমিশনার। এর আগে একই প্রতিষ্ঠানের তৈরি এক হাজার ফুটবল বাংলাদেশের সরকারি স্কুলগুলোতে বিতরণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব ফুটবল শিক্ষার্থীদের মধ্যে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ফিটনেস চর্চা বাড়াতে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় ফুটবল খেলায় তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াবে।

আলোচনার সময় হাইকমিশনার বলেন, পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিশ্বব্যাপী ফুটবল উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলও তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৪ সালের ‘ব্রাজুকা’, ২০১৮ সালের ‘টেলস্টার’, ২০২২ সালের ‘আল-রিহলা’ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘ট্রিয়ন্ডা’।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার কারিগরি, বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।