সাইবার নিরাপত্তা কর্মশালায় শুরু ফিনিক্স সামিট ২০২৬

বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেমকে জোরদার করতে টেকনিক্যাল ওয়ার্কশপ সিরিজের মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’। মূলত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা ও ডিজিটাল রিজাইলেন্স জোরদার করতেই আগামী ২৩-২৫ জুন পর্যন্ত এই বিশেষায়িত সেশনগুলোর আয়োজন করা হয়েছে।

দেশের অন্যতম শীর্ষ সাইবার সিকিউরিটি কনভারজেন্স প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপ (টিটিপিজি)’, পাওয়ার্ড বাই ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, পাঁচ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

‘ক্লোজিং দ্য সাইবার গ্যাপ ইন ইমার্জিং ইকোনোমিস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সামিটে সরকারি নীতিনির্ধারক, ইন্ডাস্ট্রি লিডার, একাডেমিক প্রতিষ্ঠান, সাইবার নিরাপত্তা পেশাজীবী, গবেষক, শিক্ষার্থী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা একত্রিত হচ্ছেন। সামিটের মূল কনফারেন্স আগামী ২৬ ও ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

তবে এর আগের তিনদিনের কর্মশালায় ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়ন ও জ্ঞান বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এসব সেশনে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব-উপযোগী সাইবার প্রতিরক্ষা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে এই সামিটের অন্যতম মূল আকর্ষণ হলো ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির (এনসিএসএ) সহযোগিতায় আয়োজিত বিশেষ কর্মশালা ‘প্র্যাক্টিক্যাল সাইবার ইনভেস্টিগেশন’। অস্ট্রেলিয়ার এপনিকের সিনিয়র ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট আদলি ওয়াহিদ এই সেশনটি পরিচালনা করবেন। এই সেশনে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার (সিআইআই) সংস্থাগুলোর আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরাই অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপের ফাউন্ডার ও চিফ অব রিসার্চ এএসএম শামীম রেজা বলেন, 'সাইবার সিকিউরিটি বর্তমানে একটি জাতীয় অগ্রাধিকার; যা আমাদের জাতীয় স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। পাঁচ দিনব্যাপী এই আয়োজনে দশ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত।'

কর্মশালা শেষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) দুই দিনব্যাপী কনফারেন্সে সামিটের পরবর্তী আয়োজন করা হবে। অংশগ্রহণকারীরা সাইবার প্রতিরক্ষা, অফেনসিভ সিকিউরিটি ও উদীয়মান প্রযুক্তির ট্রেন্ড নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ, টিম এক্সারসাইজ, ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনা ও টেকনোলজি এক্সিবিশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।