হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে টসে হেরে আগে ব্যাট করবে বাংলাদেশ। নেতৃত্বের অভিষেকে টস জিতেছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা।
এই ম্যাচে অভিষেক হচ্ছে বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার অমিত হাসান ও মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়ের৷ শুধুমাত্র টেস্টেই নয়, দেশের জার্সিতে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামবেন অমিত। হৃদয় অবশ্য সাদা বলের দুই সংস্করণের নিয়মিত সদস্য। এবার সাদা পোশাকের বনেদি সংস্করণের স্বাদটাও পেয়ে গেলেন তিনি।
টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ের পাল্লা ভারী বাংলাদেশের। ২০ ম্যাচে ৯ বারই জিতেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। হেরেছে ৮টি এবং ড্র হয়েছে ৩টি। পরিসংখ্যান কিংবা শক্তিমত্তায় পিছিয়ে থাকলেও স্বাগতিকদের অবমূল্যায়ন করার সুযোগ নেই নাজমুলদের। গত বছরও ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের কাছে হারে তারা।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে লাল বলের ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে আছে বাংলাদেশ। ঠিক বছর খানেক আগে ২০২৫ এর এই জুন মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষের হারের পর সবশেষ ৪ টেস্টের প্রত্যেকটিতেই জিতেছে তারা। এদিকে নিজেদের শেষ ৫ টেস্টে কেবল একটিতে জিতেছে জিম্বাবুয়ে।
তবে চেনা কন্ডিশনে নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে বেশ খুশি স্বাগতিকদের নতুন অধিনায়ক। সেই প্রসঙ্গে টসের পর এনগারাভা বলেন, “এখানকার কন্ডিশনগুলো আমাদের জানা। আপনি হুট করেই একদিন বা দুইদিনে নেতা হয়ে উঠতে পারবেন না। আমরা এখন যেখানে আছি, ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি নিয়ে আমি বেশ খুশি।”
এদিকে আগে ব্যাটিং বা বোলিং নিয়ে ভাবছে না সফরকারীরা। জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে নতুন কন্ডিশনে নামতে যাচ্ছে নাজমুল হোসান শান্তর দল। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, “আমরা আগে ব্যাটিং নাকি বোলিং করছি, সেটি কোনো বড় বিষয় নয়। জয় সবসময়ই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, তবে এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি টেস্ট ম্যাচ... নতুন বলে ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জটা একটু বেশিই থাকবে, বাউন্সও বেশি মিলবে... রান করাটা সবসময়ই বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়, তবে যেহেতু কন্ডিশনটা নতুন, তাই এখানে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। আমাদের দলে একজন অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল (ইসলাম) এবং তিনজন পেসার আছেন।”
বাংলাদেশ একাদশ:
সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, মমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, অমিত হাসান, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেন।