পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, থেরাপি দেওয়া হচ্ছে পায়ে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা এখন পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে যাচ্ছে। মস্তিকে রক্তক্ষরণের কারণে ডান হাত ও পা অবশ হয়ে গিয়েছিল। হাতের অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এখন ডান পায়ের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন ফিজিওথেরাপি দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মির্জা আব্বাসের সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাসের বরাত দিয়ে শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, মির্জা আব্বাস অনেক সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মালয়েশিয়ার পুসাট রিহ্যাবিলিটাসি নিউরো-রোবোটিক এবং সাইবারনিক্স কেবাংসান পারকেসো সেন্টারে তিনি প্রতিদিন পায়ের থেরাপি নিচ্ছেন। সোমবার সকালে থেরাপি নেওয়ার পর তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে উম্মুক্ত জায়গায় হাটেন। তার সঙ্গে আফরোজা আব্বাসও ছিলেন।

এর আগে গত ১৬ মে শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস। ওইদিন তিনি বলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে-ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে এখনো তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরো-সংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। ওইদিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভার কেয়ার হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। তাঁর চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। ওইদিন সাবেক এই মন্ত্রীর মস্তিস্কে রক্ত ক্ষরণ ধরা পড়ে। এরপর তাঁর মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাঁকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়।