সংবাদ প্রকাশের পর বন্ধ হচ্ছে মঠবাড়িয়ার টপটেন হাসপাতাল

প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা পরিচালনার অভিযোগে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টপটেন জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।

গত ২৩ মে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। পিরোজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্স না থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১৭ জুন সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে হাসপাতালটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নির্দেশ জারির ১২ দিন পরও হাসপাতালে রোগী ভর্তি, চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন রোগ নির্ণয় পরীক্ষা চলতে থাকে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে হাসপাতালটির কার্যক্রম প্রকাশ্যে পরিচালিত হলেও এতদিন তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক নজরদারির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার দেশ রূপান্তরের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধিকে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা বলেন, ‘সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে টপটেন জেনারেল হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্স না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি মালিকপক্ষকে অবহিত করেছি। খুব দ্রুত নির্দেশনাটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’