ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমার বক্তব্য সাইবার প্লেসে নারীর সুরক্ষা নিয়ে। মূলত সাইবার স্পেসটা আইন করে নিরাপদ রাখবার যে প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল সংসদের সেটা হচ্ছে এই স্পেসটাকে নারীর জন্য একটা নিরাপদ স্পেস হিসেবে তৈরি করা দরকার।
কিন্তু আমরা যারা রাজনীতি করি কিংবা যারা পাবলিক ফিগার কিংবা যারা নোন ফেস আমাদেরকে প্রতিনিয়ত সাইবার হারাসমেন্ট সাইবার বুলিং এবং নানান রকম সাইবার অপরাধের শিকার হতে হয়।
সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’ এর ২০ ধারা বাদ দিয়ে আইনটিতে সংশোধনী এনে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এর বিল জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। সর্বশেষ মূল আইনের ২০ ধারায় এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান ছিল।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে বিলটি উপস্থাপনের পর সর্বসম্মতিক্রমে তা পাস হয়। বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিলটি নিয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, স্পিকার অস্বীকার করবার কোন উপায় নাই আমরা এখন এআই জগতে প্রবেশ করেছি অস্বীকার করবার কোন উপায় নাই যে কোনটা রিয়েল কোনটা ফেক কোনটা ভুয়া কোনটা সঠিক। এই কারণে আমাদের শিক্ষিত সমাজের অনেকে হিমশিম খেয়ে যায় বের করতে কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল। গ্রামেও প্রতিটি মানুষের হাতে স্মার্টফোন সেলফোন ফেসবুক একাউন্ট। বিশেষ করে পরিচিত নারীরা হয়তো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিংবা মিডিয়া জগতের সঙ্গে যুক্ত আমাদের জন্য এই স্পেসটা প্রতিদিনই আরেকটু আরেকটু করে অনিরাপদ হয়ে যায়। আশা করি এই সংসদের মাধ্যমে নারীদের জন্য আমরা যেন একটা নিরাপদ সাইবার স্পেস রাখতে পারি।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে নারীরা যেই দলেরই কর্মী হোক না কেন কিংবা যেই দলেরই সমর্থক হোক না কেন তাকে সাইবার বুলিং করবেন না। আপাতত দৃষ্টিতে আপনাদের জন্য বিরোধী মতে যারা আছেন আনন্দদায়ক হতে পারে কিন্তু সেটা বুমেরাং হয়ে আপনাদের দিকে ফিরে আসবে।