বিস্ফোরক অভিযোগ রাশেদের

হোটেল বকেয়া না দিয়ে পালিয়েছে এনসিপির ২১ নেতা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে আবাসিক হোটেলের বকেয়া পরিশোধ না করা, অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দলীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

ওই ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেন বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোনো বিচার পায়নি আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে বিভিন্ন অনৈতিক ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ও সিসিটিভি ফুটেজও বিচারের জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু হোটেলের বকেয়া ১১ লাখ ৮৩ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ না করে পালিয়ে যায় এনসিপির ২১ জন নেতা।

তিনি বলেন, এই চক্রটির নেতৃত্ব দেন এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব এস এম শাহরিয়ার। তিনি গত কোরবানির ঈদে গোলাপবাগ গরুর হাট থেকে এনসিপির নেতাকর্মীদের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে এস এম শাহরিয়ারের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত সে ঢাকা-৫ আসনের আওয়ামী লীগের মনু এমপির পিও ছিল, আর তার বাবা ছিলেন মনু এমপির পিএস। গণঅভ্যুত্থানের পরে সে হয়ে গেছে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও মহানগরের দায়িত্বশীল নেতা। শুনলাম, আওয়ামী লীগের সম্পদ কোথায় আছে, কীভাবে সেগুলো আহরণ করা যায়, সেজন্য তাকে সোর্স হিসেবে দলে বড় জায়গা করে দিয়েছে শীর্ষ নেতারা।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এটাই হলো এনসিপির নতুন বন্দোবস্ত। জুলাই পালন করতে শীর্ষ নেতারা শহীদদের কবরে যাবে, আবার অপরাধীদেরও দলে পালবে। অথচ এসব নেতাদের বহিষ্কার করে তারপর জুলাই শহীদদের কবরে গেলে তাদের আত্মা শান্তি পেত।