পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোহন তালুকদার নামে এক জেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। উপজেলার লেমুপাড়া গ্রামে বুধবার (১ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এঘটনা ঘটে।
আহত মোহন তালুকদার (৪০) বলেন, প্রায় দুই বছর আগে লেমুপাড়া গ্রামের মিজানুর তালুকদারের কাছ থেকে মৌখিকভাবে ২ লাখ টাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন তিনি। তখন তাকে বলা হয়েছিল ওই জমিগুলো মিজানুরের রেকর্ডভুক্ত এবং তিনি তাকে বায়না বাবদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেয়। পরে মোহন জানতে পারে তার কেনা জমিগুলো সরকারি খাস জমি। এ নিয়ে মোহনের সঙ্গে মিজানুরের বাকবিতণ্ডা হয় এবং আদালতে মামলা করা হলেও জমিগুলো খাস প্রমানিত হয়। তারপরও মোহনকে একের পর এক নির্যাতন শুরু করে মিজানুর। বেশ কয়েকবার তাকে মারধর করা হয় এবং মোহনকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিধিনিদের পেছনে ঘুরেও সমাধান পাইনি। বুধবার রাতে মোহন পার্শ্ববর্তী খালে জাল ফেলে বাড়ির দিকে রওয়ানা দেন। এসময় বাড়ির কাছে পৌঁছলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় মিজানুর তালুকদার, রাসেল মাতুব্বর, সজিব তালুকদার, করিম মাতুবব্বর ও মিজানুর হাওলাদার। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে।
অভিযুক্ত মিজানুর তালুকাদার বলেন, বুধবার আমি আদলতের কাজে পটুয়াখালী ছিলাম। তবে মোহন আমার কিছু জমি দখল করে রাখছে। এ বিষয়ে আমাদের ঝামেলা চলছে। রাত ৯টার দিকে বাড়ি পৌঁছেছি। মোহনের সঙ্গে আমার কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন।
এবিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।