জুলাই আন্দোলনে ৯ দফা তৈরি, সমন্বয়ে যুক্ত ছিলেন সাদিক কায়েম

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলাকালে ৯ দফা প্রণয়ন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা পৌঁছে দেওয়া, আন্দোলনের সমন্বয় এবং শহীদদের তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশে পাঠানোর কাজে নিজের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ১৮ জুলাই রাতে হঠাৎ ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। একই সময়ে বিভিন্ন প্রিন্ট গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে পড়াশোনায় ফিরে গেছে বলে প্রচার করা হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলন যে অব্যাহত রয়েছে, সেটি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ওই সময়ে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান বলেও জানান।

সাদিক কায়েম জানান, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলাকালে ৯ দফা প্রণয়ন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা পৌঁছে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজে তিনি যুক্ত ছিলেন। প্রথম সারির সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব না হওয়ায় দ্বিতীয় সারির সমন্বয়কদের নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা এবং মাঠ পর্যায়ে আন্দোলনের সমন্বয়ের কাজেও তিনি অংশ নেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, ২০ ও ২১ জুলাই সারা দেশে নিহতদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডাটাবেস তৈরির কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও সেই তথ্য সীমান্তবর্তী এলাকার মাধ্যমে দেশের বাইরে পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সাদিক কায়েম বলেন, এসব কাজের মাধ্যমে তিনি বুঝতে পারেন কীভাবে একটি আন্দোলনকে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে নিতে হয় এবং তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের গুরুত্ব উপলব্ধি করেন।